Monday, August 4, 2025

ধন সম্পদের মালিক কে?

 ধন সম্পদের মালিক আমরা কেউই না, আমরা কেবল দেখা শোনার দ্বায়িত্ব পালন করি। জন্ম সূত্রে আমরা কেউই কিছু নিয়ে আসিনা এবং মৃত্যু পর্যন্ত আমরা কিছুই নিয়ে যেতে পারি না। মাঝখানের সময়টা আমরা শুধু ভোগ করি।

❤️ প্রকৃতি আপনাকে যা কিছু দিবে তা আবার পুনরায় ফেরত নিবে। এটা প্রকৃতির গুনে ঈশ্বর প্রদত্ত নিয়ম। আপনার শিশুকাল যৌবনকাল ও বৃদ্ধকাল কোনটিই চিরস্থায়ী নয়, সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হয়। তবে কোন কিছু অপরিবর্তনশীল করতেও প্রকৃতির সাহায্য নিতে হবে।

❤️ মানুষ টাকা পয়সা বা ধন সম্পদের মালিক নয় বরং বাহক। আমরা এগুলোর ব্যবহারকারী। পৃথিবীতে মানুষ ব্যতীত অন্য কোনো প্রানীর ধন সম্পদের প্রয়োজন হয় না। তাদের অন্য কোনো কর্মও করতে হয়না কেবল খাবারের সন্ধান করতে হয়।

❤️ টাকা বিনিময়ের মাধ্যম, টাকার কোন মূল্য নেই। মূল্য সেই জিনিসের থাকে যার জন্য অর্থ বিনিময় করতে হয়। যেমন আপনার হাতের মোবাইল। টাকার বিনিময়ে আপনি মোবাইল পাবেন আবার মোবাইলের বিনিময়ে টাকা পাবেন। টাকা দিয়ে আপনি জমি কিনতে পারবেন কিন্তু কখনোই জমি স্থানান্তর করতে পারবেন না, কেবল টাকা স্থানান্তর করতে পারবেন। এজন্যই টাকার এত মূল্য যা নির্বোধেরা বোঝে কিন্তু কখনোই জ্ঞানীরা টাকার মূল্য দেয়না কারন টাকা একটা কাগজ যা যেকোনো সময় নষ্ট হতে পারে বা এক দেশের টাকা অন্য দেশে মূলহীন কিন্তু আপনার জমি থেকেই যাবে, হাতের মোবাইল রয়েই যাবে। 

Saturday, August 10, 2024

কাফের কে?

 কাফের কে? কাফের শব্দটি আরবী শব্দ যার বাংলা অর্থ অবাধ্যতা, অস্বীকার করা, অকৃতজ্ঞতা।

❤️ এখানে অবাধ্যতা হল ইচ্ছাকৃতভাবে একজনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তির আইনানুগ আদেশ অমান্য করার কাজ। 

❤️ অস্বীকার , সাধারণ ইংরেজি ব্যবহারে অন্তত তিনটি অর্থ আছে: দাবি করা যে কোনো নির্দিষ্ট বিবৃতি বা অভিযোগ সত্য নয়, যা সঠিক বা ভুল হতে পারে। একটি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান; এবং দাবি করা যে একটি সত্য বিবৃতি সত্য নয়।

❤️ অকৃতজ্ঞতা হচ্ছে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে।

সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কাফের সেই ব্যক্তি যে ব্যক্তির মধ্যে অবাধ্যতা, অস্বীকার ও অকৃতজ্ঞতা থাকে। 

❤️ একজন মুসলিম যদি কোন হিন্দুকে অস্বীকার করে তাহলে ঐ মুসলিম হবেন কাফের। পক্ষান্তরে একই ভাবে ঐ হিন্দু যদি মুসলিমকে অস্বীকার করে সেও হবে কাফের। যারা কেবল নিজ ধর্মের প্রতি বিশ্বাস রেখে অন্য ধর্মকে অস্বীকার করে তারাই কাফের। 

Saturday, June 22, 2024

ঈশ্বর সম্পর্কিত শুদ্ধ জ্ঞান

 ঈশ্বর সম্পর্কিত শুদ্ধ জ্ঞান


১. ঈশ্বর কাকে বলে?

উ. প্রকৃতিই ঈশ্বর শক্তি কিন্তু ঈশ্বর না। প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বর নিয়ম বা আইন। আপনি প্রকৃতির নিয়মেই চলছেন, প্রকৃতির নিয়ম পরিবর্তন করা আপনার আমার সামর্থ্যের বাহিরে। আপনি প্রকৃতিকে দেখতে পারেন বা অনুভব করতে পারেন। আপনি প্রকৃতির নিয়ন্তাকে খুঁজে পান না। এটাও আপনার আমার সামর্থ্যের বাহিরে। তাপালো, মাটি, পানি ও বাতাস সব কিছুই প্রকৃতির দান মূলত চন্দ্র সূর্য পৃথিবী ও ব্রহ্মান্ড সব কিছুই প্রকৃতির দান। ঈশ্বর প্রকৃতির নিয়ন্তা কিন্তু আমরা প্রকৃতির অনুকূলে। অর্থ্যাৎ ঈশ্বর আমাদের নিয়ন্তা নয় তিনি কেবল প্রকৃতির নিয়ন্তা। যেহেতু আমরা প্রকৃতির অনুকূলে সেহেতু আমরাও ঈশ্বরের অনুকূলে। সুতরাং ঈশ্বর কোনকিছুই সৃষ্টি করেনি, যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে তা সবই প্রকৃতির দান এবং এই প্রকৃতির নিয়ন্তাকেই ঈশ্বর বলা হয়।

❤️ ধর্মগ্রন্থে ঈশ্বরকে নিরাকার বলা হয়েছে এবং ভগবানকে সাকার রুপ দেয়া হয়েছে। সুতরাং আপনি সাক্ষী হিসেবে প্রকৃতিকে পাবেন এবং অস্তিত্ব হিসেবে আপনি নিজেকেই পাবেন। আপনি আপনার নিজের মধ্যেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন যখন নিজের অস্তিত্বকে জানতে পারবেন।। আপনি কখনোই প্রকৃতির মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে পাবেন না কিন্তু উপলব্ধি করতে পারবেন।।

❤️ঈশ্বরের মধ্যে অনেক গুণ রয়েছে। তিনি কর্মও করেন।

২. ঈশ্বরের রূপ কেমন? 

উ. ঈশ্বর নিরাকার, তার কোনো রূপ বা শরীর নেই। এইজন্য আমরা তাঁকে চোখ দিয়ে কখনই দেখতে পারি না। তাকে কেবল উপলব্ধি করা সম্ভব। 

৩. ঈশ্বরের কাজ কী কী?

উ. ঈশ্বর প্রকৃতির নিয়ন্তা, তিনি কেবল প্রকৃতিকেই নিয়ন্ত্রণ করে। 

❤️ ঈশ্বর তার নিয়মে অটুট। প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বর নিয়ম বা আইন।

❤️ প্রানী জাতির সংগে ঈশ্বরের কোন সম্পর্ক নেই। তবে কেউ ইচ্ছে করলেই ঈশ্বরকে উপলব্ধি করতে পারে। তার সাথে সম্পর্ক বা কানেকশন তৈরি করে নিতে পারেন। 

❤️ ঈশ্বর ভালো-মন্দ কাজের ফল দেন, অর্থ্যাৎ তিনি কর্মের ফল প্রকাশিত করেন। 

৪. সূর্য, চন্দ্র, পর্বত, সাগর ইত্যাদি সমূহকে কে তৈরি করেছেন?

উ. প্রকৃতির নিয়মেই / ঈশ্বর।

৫. ঈশ্বর কতজন?

উ. ঈশ্বর একজনই, তিনি সর্বব্যাপক, সর্বশক্তিমান। সর্বশক্তির মূলেই ঈশ্বর।

৬. ঈশ্বরের অনেক নাম কেন?

উ. ঈশ্বরের নাম একটাই। আরবী নামে আল্লাহ, হিব্রু নামে জিহেয়াবা, আরামিক নামে ইলহা বা ইলা, ইংরেজিতে গড বাংলায় ঈশ্বর, হিন্দুরা ভগবান বলেও জানে।

৭. ঈশ্বরের মুখ্য নাম কি?

উ. "ও৩ম্" ঈশ্বরের মুখ্য নাম। 

৮. ও৩ম্ এর মুখ্য অর্থ কি?

উ. সর্বরক্ষক।

৯. ঈশ্বরের কিছু গৌণ নাম বলুন?

উ. আর্য সমাজের নিয়ম ২ এর আধারে:-

 সচ্চিদানন্দস্বরূপ, সর্বশক্তিমান, সৃষ্টিকর্তা, সর্বব্যাপক, সর্ব অন্তরযামী, অজন্মা, অনাদি , অনন্ত, অনুপম, অমর, অজয়, অভয়, ন্যায়কারী, নিরাকার, নির্বিকার, নিত্য, দয়ালু এবং পবিত্র।

(খ) প্রাণায়াম মন্ত্রের আধারে:-

ভূ, ভুব, স্বঃ, মহাঃ, জনঃ, তপঃ, সত্য।

১০. ঈশ্বরের অন্য কিছু গৌণ নাম বলুন?

উঃ ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ, গণেশ, শিব, ইন্দ্র, বরুণ, সোম, মঙ্গল, বুধ, শুক্র, শনি, রাহু, কেতু, অগ্নি ইত্যাদি।

১১. ঈশ্বর কি আমাদের শাস্তি দেন ?

উ. ঈশ্বর আমাদের তৎক্ষণাৎ শাস্তি দেন না, কিন্তু কর্মের ফল ঠিকই প্রকাশ করেন যা আমরা বুঝতে পারি না। 

১২. ঈশ্বরের সাথে আমাদের কী সম্পর্ক ?

উ. ঈশ্বর একক শক্তি। মানব জাতির সাথে ঈশ্বরের কোন সম্পর্ক নেই। তবে চেষ্টা করলে সম্পর্ক করা সম্ভব। 

১৩. ঈশ্বর নিরাকার। তাঁর সাক্ষাৎকারের অর্থ কী?

উ. কোনো বস্তুর গুণের অনুভব বা উপলব্ধি হওয়া হলো সাক্ষাৎকার। প্রত্যক্ষ কেবল চোখ দিয়ে হয় না। অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের দিয়েও হয়। যখন আত্মা ঈশ্বরের জ্ঞান, বল, গুণ, আনন্দ ইত্যাদি গুণাবলী অনুভব করে তখন তাকেই ঈশ্বর সাক্ষাৎকার বলে।

১৪. ঈশ্বরকে কেন সর্বশক্তিমান বলা হয়?

উ. ঈশ্বর একক শক্তি। ঈশ্বর নিজ সামর্থ্য দ্বারা নিজের সব কাজ পূর্ণ করেন। কারোর সাহায্য নেন না। এইজন্য ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান বলা হয়। 

১৫. ঈশ্বরের জ্ঞান কি সর্বদা একই থাকে নাকি বৃদ্ধি হ্রাস পেতে থাকে?

উ. সব কিছুর পরিধি নির্নয় সম্ভব কিন্তু জ্ঞানের পরিধি নির্নয় অসম্ভব। ঈশ্বরের জ্ঞান সর্বদা একই থাকে।

১৬. ঈশ্বরের সাক্ষাৎকার (দর্শন) কে করে?

উ. যে ব্যক্তি পরম ধর্মের অর্থ বোঝে ও পালন করে। যে ব্যক্তি ঈশ্বরকে নিয়ে সাধনা করে। যে ব্যক্তি প্রকৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। 

১৭. ঈশ্বর এবং আত্মার মধ্যে পার্থক্য কি?

উ. ঈশ্বর পরমাত্মা, আমরা জীবাত্মা, দেবতারা আত্মারামেশ্বর, ঈশ্বর পরিপূর্ণ ও আমরা তার অংশ বিশেষ। ঈশ্বর প্রানীর আত্মা প্রদানকারী, এই আত্মা ঈশ্বরের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে। আত্মার অন্য কোন কাজ নেই। 

১৮. ঈশ্বরকে সাকার মানলে কি ক্ষতি?

উ. নামে কিছুই আসে যায়না, একটি কলা গাছকে ঈশ্বর জ্ঞান করে স্বরন করাটা পাপ নয়। তবে এটাতে নির্বোধের প্রমান মিলে। 

১৯. বেদের মধ্যে ঈশ্বরের স্বরূপ কী?

উ: বেদের মধ্যে ঈশ্বরকে সর্বব্যাপক, সর্বজ্ঞ, নিরাকার, ন্যায়কারী, কর্মফল দাতা ইত্যাদি গুণাবলীর বর্ণনা করা হয়েছে।

২০. ঈশ্বরকে মূর্তি রূপে তৈরি করে পূজা কখন থেকে শুরু হয়েছিল?

উ. প্রায় 2500 বছর আগে আরম্ভ হয়েছিল। এর আগে মানুষ নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনা করতো।

২১. ঈশ্বরের গৌণ নামে মূর্তি বানানো কি ঠিক?

উ. ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি হয়না কিন্তু দেবতাদের মূর্তি হয়। 

২২. বৈদিক ধর্ম/বেদে কি ঈশ্বরের অবতার নেওয়া কি বলা হয়েছে?

উ. ঈশ্বরের জন্ম মৃত্যু নেই তাই যুগে যুগে ঈশ্বর অবতীর্ণ হয় না, যুগে যুগে ভগবান বা দেবতারা অবতীর্ণ হন। 

২৩. ঈশ্বর ও ভগবানের প্রার্থক্য কি? 

উ. ঈশ্বর একক শক্তি, ভগবান ঐশ্বরিক শক্তি বহন করে। ভগবান সংস্কৃত শব্দ যার বাংলা অর্থ দেবতা। ভগবান ছয়টি গুনের অধিকারী আর ঈশ্বর সকল গুনের অধিকারী।

২৪. পুরুষোত্তম রাম এবং যোগীরাজ কৃষ্ণের সময়ে কী ঈশ্বর ছিল না?

উ. তাদের সময়েও ঈশ্বর ছিল এবং তারাও নিরাকার ঈশ্বরের উপাসনা করতো।

২৫. ঈশ্বর আধ্যাত্মিক শুদ্ধ জ্ঞান কখন দেন?

উ. চেষ্টার অপর নাম সাধনা, যার সাধনা যেমন তার সাফল্যও তেমনি হয়। ঈশ্বর আধ্যাত্মিক শুদ্ধ জ্ঞান মানুষকে তার মনের সমাধি অবস্থায় দেন‌। 

২৬. প্রকৃতি এবং জীবদের উপর নিয়ন্ত্রণ কে রাখেন?

উ. ঈশ্বর প্রকৃতির নিয়ন্তা আর প্রানীর নিয়ন্তা তার মন। অর্থ্যাৎ প্রানী তার নিজ ইচ্ছেই চলে। 

২৭. ঈশ্বরের নিয়ম কী অটল?

উ. হ্যাঁ। উদাহরণঃ

—যেমনভাবে সূর্য প্রথমে উদিত হতো তেমনভাবেই আজও উদিত হয়। 

— ব্রহ্মাণ্ডে অনেক গ্ৰহ উপগ্ৰহ ভ্রমণ করছে। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে কখনই সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না। 

২৮. ঈশ্বর প্রাপ্তির (সাক্ষাৎকার) কি উপায়?

উ. বৈদিক গ্ৰন্থের স্বাধ্যায়, সেই অনুসারে আচরণ করা, বৈদিক সৎসঙ্গ, ধ্যান এবং ঈশ্বর ভক্তি— ঈশ্বর অনুভূতির উপায়।

২৯. ঈশ্বরের ধ্যান করার মধ্যে কি লাভ হয়?

উ. ঈশ্বর যেমন একা তেমনি একা থাকার আনন্দ। 

—মনে অধিকার হয়।

—ইন্দ্রিয় গুলোতে নিয়ন্ত্রণ হয়।

—একাগ্রতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

—সাত্বিক বুদ্ধি বা ভাল সংস্কার প্রাপ্ত হয়।

—ঈশ্বরীয় আনন্দের অনুভূতি হয়। 

৩০. নিরাকার ঈশ্বর উপাসনার বিধি বলুন?

উ. কলি যুগের মহামন্ত্র যব করুন। পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আপনাকে ঈশ্বর কর্তৃক পৌছাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও যম-নিয়ম পালন, ও৩ম বা গায়ত্রী মন্ত্র জপ ( অর্থ/ভাবার্থ সহিত), ধ্যান এবং বৈদিক সন্ধ্যা দ্বারা নিরাকার ঈশ্বরের ভক্তি উপাসনা করা হয়। এটা অনেক সহজ।


 ❤️( প্রাকৃতিক জ্ঞান) 


Tuesday, June 18, 2024

জীবন মানেই গাড়ি

 মানুষের জীবনটা একটা গাড়ির গিয়ারের মতো। একটি গাড়িকে যদি নিওটাল করে রাখা হয় তাহলে ঐ গাড়িটি সামনে বা পেছনে উভয় দিকেই যাবে কিন্তু ঐ গাড়িটি যদি ফাষ্ট গিয়ার বা ব্যাক গিয়ারে রাখা হয় তাহলে তার গতিপথ এক দিকেই থাকে। অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেকে গাড়ির মতো নিওটাল করে রাখেন তাহলে অন্যেরা আপনাকে পরিচালনা করবে, আর যদি গিয়ারে রাখেন তাহলে আপনার ইচ্ছেই আপনি চলবেন। এবারে আপনিই ভাবুন - নিওটালে থাকবেন নাকি গিয়ারে চলবেন। 

Sunday, June 9, 2024

ইসলামের জাতি ভেদ

 ইসলামে নাকি জাতপাত নেই! একটু জেনে নিই আমরা।

মুসলিম সম্প্রদায় কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।


১) সুন্নী মুসলমান

২) শিয়া মুসলমান

৩) খাওয়ারিজ মুসলমান


আবার সুন্নীকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।


১) হানাফী মুসলমান

২) Hanbali মুসলমান

৩) Maliki মুসলমান

৪) Shafii মুসলমান


শিয়া সম্প্রদায়ের কে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।


১) Isma Ilism মুসলমান

২) Jafri মুসলমান

৩) Zaidiyyah মুসলমান


শিয়া সম্প্রদায় থেকে বিভক্ত 

Isma Ilism মুসলমান সম্প্রদায়কে

 কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।


১) Sevener মুসলমান

২) Nizari মুসলমান

৩) Mustali মুসলমান


Isma Llism থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া 

Sevener 

Nizari 

Mustali

এদের কেও তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।


১) Sevener মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Qaramita মুসলিম সম্প্রদায়।

২) Nizari মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Druze মুসলিম সম্প্রদায়।

৩) Mustali মুসলিম সম্প্রদায়ের নিচে হচ্ছে Tyyibi মুসলিম সম্প্রদায়।


শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ২ নং বিভক্ত Jafri কে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে


১) Twelver মুসলিম সম্প্রদায়

২) Alawi মুসলিম সম্প্রদায়

৩) Alevi মুসলিম সম্প্রদায়


শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Jafri আবার Jafri থেকে বিভক্ত হয়ে যাওয়া Twelver সম্প্রদায় কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।


১) Akbari মুসলিম সম্প্রদায়

২) Usuli মুসলিম সম্প্রদায়


শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের তৃতীয় বিভক্ত হলো


১) Zaidiyyah মুসলিম সম্প্রদায়

ইসলামের তৃতীয় বিভক্ত সম্প্রদায় হচ্ছে

১) Khawarji মুসলিম সম্প্রদায়


Khawarji সম্প্রদায়কে একটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে

১) Ibadiyya মুসলিম সম্প্রদায়


Ibadiyya সম্প্রদায় কে আবার ২ ভাগে ভাগ হয়েছে।

১) Nukkur মুসলিম সম্প্রদায়

২) Azzabas মুসলিম সম্প্রদায়


সর্বমোট ২৩ টি বিভক্ত সম্প্রদায় রয়েছে মুসলিমদের, সবার চিন্তা একটাই হুর লাভ 🤯🤯 বেহেস্তে যাবে কোন পক্ষ?

Saturday, May 4, 2024

মানুষের ধর্ম

মানুষের ধর্ম সবার এক কেবল ধর্মগ্রন্থ আলাদা। সকল ভাষাকে একত্রিত করে মাতৃভাষায় রুপান্তর করলে যা পাওয়া যায়।। 

❤️ মুসলিম মানে আত্মসমর্পণকারী। হিন্দুরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নিকট আত্মসমর্পণ করে। 

❤️ ইসলাম মানে শান্তি। সনাতন মানে চিরন্তন। 

❤️ ইমান মানে বিশ্বাস।

❤️ মুমিন মানে বিশ্বাসী।

❤️ সালাত কায়েম মানে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন।

আল্লাহ কে ? আল্লাহ হলো আরবী নামে ঈশ্বর, হিব্রু নামে জিহেয়াবা, আরামিক নামে ইলহা বা ইলা, ইংরেজিতে গড বাংলায় ঈশ্বর, হিন্দুরা ভগবান বলেও জানে। 

এখন মাতৃভাষায় বললে

ঈশ্বরে বিশ্বাসী যিনি ঈশ্বরের বিধান বাস্তবায়ন করে এবং তার ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণকারী ব্যাক্তি মুসলিম ও হিন্দু বা ঈশ্বর বিশ্বাসী। আমি আপনি কেমন মুসলিম বা হিন্দু বা ঈশ্বর বিশ্বাসী তা কেবল মাত্র ঈশ্বর জানেন।

Wednesday, May 1, 2024

সাফল্যের নিশ্চয়তা

 জীবনে পরিশ্রম ছাড়া কেউই সাফল্য কামনা করতে পারেন না। বলা হয় - পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।তিনটি সত্যকে মেনে নিয়ে তিনটি বিষয়কে একত্রিত করে কাজ করলেই সাফল্য নিশ্চিত।

তিনটি সত্য - পরিশ্রম, বুদ্ধি ও চেষ্টা - এই তিন বিষয় একত্রিত করে কাজ করলেই সাফল্য নিশ্চিত। তবে সাবধান এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে সৎকর্ম দেখানো হয়নি, তাই কেউই অসৎ কর্ম করবেন না। এই তিনটির মধ্যে সৎকর্ম নাথাকলেও সাফল্য নিশ্চিত কিন্তু সেটা কোন অপরাধ মূলক কাজও হতে পারে। অর্থ্যাৎ আপনি একটি অপরাধ মূলক কাজ করতে গেলেও ঐ তিন বিষয় যদি একত্রিত ভাবে কাজ করে তাহলেও সাফল্য নিশ্চিত।। 


ধন সম্পদের মালিক কে?

 ধন সম্পদের মালিক আমরা কেউই না, আমরা কেবল দেখা শোনার দ্বায়িত্ব পালন করি। জন্ম সূত্রে আমরা কেউই কিছু নিয়ে আসিনা এবং মৃত্যু পর্যন্ত আমরা কিছ...