Saturday, April 27, 2024

কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

 তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে। (সুরা কাফিরুন)

তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। (সুরা এখলাছ)

প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ। (সুরা হুমাযাহ)

যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা। (সুরা বাইয়্যিনাহ)

আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে। (সুরা কদর)

সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। (সুরা আলাক)

যদি তোমরা উভয়ে আল্লাহর কাছে তওবা কর (তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম)। কারণ তোমাদের উভয়ের অন্তর বাঁকা হয়েছে, আর তোমরা যদি তার বিরুদ্ধে পরস্পরকে সাহায্য কর তবে আল্লাহই তার অভিভাবক এবং জিব্রীল ও সৎকর্মশীল মুমিনরাও। তাছাড়া অন্যান্য ফেরেশতারাও তার সাহায্যকারী। (সুরা আত তাহরীম)

হে নবী, কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ কর এবং তাদের ব্যাপারে কঠোর হও; আর তাদের আশ্রয়স্থল হবে জাহান্নাম এবং তা কত নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থল! (সুরা আত তাহরীম)

আসমানসমূহ ও যমীনে যা কিছু আছে তিনি তা জানেন এবং তিনি জানেন যা তোমরা গোপন কর এবং যা তোমরা প্রকাশ কর। আল্লাহ অন্তরসমূহে যা কিছু আছে সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত। (সুরা আত তাগাবুন ৬৪.৪)

অতএব তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের এবং আমি যে নূর অবতীর্ণ করেছি তার প্রতি ঈমান আন। আর তোমরা যে আমল করছ আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। (সুরা আত তাগাবুন ৬৪.৮) 

কিন্তু যারা কুফরী করে এবং আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। তথায় তারা স্থায়ী হবে। আর তা কতইনা নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল। (সুরা আত তাগাবুন ৬৪.১০)

 তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর। কিন্তু তোমরা যদি মখু ফিরিয়ে নাও, তবে আমার রাসূলের তো একমাত্র দায়িত্ব হচ্ছে স্পষ্টভাবে বাণী পৌঁছে দেয়া। (সুরা আত তাগাবুন ৬৪.১২)

নিশ্চয় আমি একে আরবী কুরআনরূপে নাযিল করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার।(সুরা ইউসুফ ১২.২) 


Wednesday, April 24, 2024

লোক দেখানো ধর্ম

 মানুষ তার নিজ প্রয়োজনে বিবাহ করেন। নিজ প্রয়োজনে সন্তান জন্ম দেয় । নিজ প্রয়োজনে সন্তান লালন পালন করে।

যদি ঈশ্বরের উপর এতই অঘাত বিশ্বাস থাকে তাহলে কেন নিজের স্বার্থে সন্তান জন্ম দেয় ? বৃদ্ধ বয়সে কে সাহায্য করবে, বংশ মর্যাদা কে রক্ষা করবে? এটা ভেবেই মানুষ সন্তান জন্ম দেয়। তাহলে ঈশ্বরের উপর ভরসা রাখা হয় কেন? মূলত ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দেরে। যখন বিপদ সন্মূখে তখন ঈশ্বরকে মনে পড়ে। বাকি সময় বন্ধু বান্ধব, সন্তান পরিবার নিয়ে ভালোই সময় কাটে।

মূলত ঈশ্বরের উপর প্রকৃত ভরসা কারো নেই। সবাই মুখেই বকবক করতে পারে, কাজে নয়। নামাজ, রোজা, সালাত, পূঁজা, প্রার্থনা, উপবাস, উপাসনা ইত্যাদি ইত্যাদি সব কিছুই লোক দেখানো ধর্ম পালন করা হয়। 

Friday, April 19, 2024

শিক্ষার স্তর

 শিক্ষার স্তর প্রধানত ৪টি - ১. অশিক্ষিত ২. শিক্ষিত ৩. উচ্চ শিক্ষিত ৪. সুশিক্ষিত ।

❤️ আপনি কোন স্তরে রয়েছেন? 

❤️ যিনি লিখতে ও পড়তে পারেনা তাকেই অশিক্ষিত বলা হয় ।

❤️ যিনি লিখতে ও পড়তে পারে তাকেই শিক্ষিত বলা হয় ।

❤️ যিনি লিখতে ও পড়তে পারে এবং উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত তাকেই উচ্চ শিক্ষিত বলা হয়। এজন্য মানুষকে উচ্চ ডিগ্রি নিতে হবে। 

❤️ যিনি লিখতে ও পড়তে পারে এবং উচ্চ শিক্ষিত হয়ে সুশিক্ষিত হতে পারে তাকেই সুশিক্ষিত বলা হয়। এজন্য মানুষকে উচ্চ ডিগ্রির প্রয়োজন নেই, জ্ঞান সম্বোলিত শিক্ষার প্রয়োজন ।

Tuesday, April 16, 2024

ঈশ্বর কাকে বলে ?

ঈশ্বর কাকে বলে ? 

প্রকৃতিই ঈশ্বর শক্তি কিন্তু ঈশ্বর না। প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বর নিয়ম বা আইন। আপনি প্রকৃতির নিয়মেই চলছেন, প্রকৃতির নিয়ম পরিবর্তন করা আপনার আমার সামর্থ্যের বাহিরে। আপনি প্রকৃতিকে দেখতে পারেন বা অনুভব করতে পারেন। আপনি প্রকৃতির নিয়ন্তাকে খুঁজে পান না। এটাও আপনার আমার সামর্থ্যের বাহিরে। তাপালো, মাটি, পানি ও বাতাস সব কিছুই প্রকৃতির দান মূলত চন্দ্র সূর্য পৃথিবী ও ব্রহ্মান্ড সব কিছুই প্রকৃতির দান। ঈশ্বর প্রকৃতির নিয়ন্তা কিন্তু আমরা প্রকৃতির অনুকূলে। অর্থ্যাৎ ঈশ্বর আমাদের নিয়ন্তা নয় তিনি কেবল প্রকৃতির নিয়ন্তা। যেহেতু আমরা প্রকৃতির অনুকূলে সেহেতু আমরাও ঈশ্বরের অনুকূলে। সুতরাং ঈশ্বর কোনকিছুই সৃষ্টি করেনি, যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে তা সবই প্রকৃতির দান এবং এই প্রকৃতির নিয়ন্তাকেই ঈশ্বর বলা হয়।

❤️ ধর্মগ্রন্থে ঈশ্বরকে নিরাকার বলা হয়েছে এবং ভগবানকে সাকার রুপ দেয়া হয়েছে। সুতরাং আপনি সাক্ষী হিসেবে প্রকৃতিকে পাবেন এবং অস্তিত্ব হিসেবে আপনি নিজেকেই পাবেন। আপনি আপনার নিজের মধ্যেই ঈশ্বরের অস্তিত্ব খুঁজে পাবেন যখন নিজের অস্তিত্বকে জানতে পারবেন।। আপনি কখনোই প্রকৃতির মাঝে ঈশ্বরকে খুঁজে পাবেন না কিন্তু উপলব্ধি করতে পারবেন।।

মানব জাতি

 মানব জাতি

আমরা সৃষ্টির সেরা মানব জাতি । জ্ঞান বুদ্ধিতে আমরা সেরা কিন্তু শক্তিতে নয়। আমাদের শক্তি খুব বেশি না, যা আরেকটি প্রানীর তুলনায় অনেক কম। জ্ঞান বুদ্ধির জোড় দেখিয়ে আমরা মানব জাতি পৃথিবীর বুকে রাজত্ব করে আসছি। মানুষ আত্মাকে ভয় পায়, জ্বীনকে ভয় পায় কিন্তু বাস্তবে তারা পৃথিবীতে থাকলেও রাজত্ব করছে না।

বেঁচে থাকার জন্য মানুষকে বা প্রানীকে খাদ্য সংগ্রহ করতে হয়, এজন্যই এক প্রানী অন্য প্রানীকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। যেহেতু মানব জাতির জ্ঞান বুদ্ধি বেশি তাই তাদের অপরাধ দমনের ক্ষমতাও বেশি আবার অপরাধ করার প্রবনতাও বেশি। তাই নিজে অপরাধ নাকরে অন্যকে অপরাধ দমনে সহযোগিতা করুন কারন জ্ঞান বুদ্ধিতে আপনিও সেরা।

মানুষ অদেখা শক্তিকে বিশ্বাস করে আবার অনেকে ভয়ও করে। ভয় থাকা ভাল যদি উদ্দেশ্য সৎ হয়। কর্মই ধর্ম, তাই কর্মকে সৎ ভাবে পরিচালনা করুন। 🌸 🌺 🌺 

Sunday, April 14, 2024

ধর্মগ্রন্থ ??

 ধর্মগ্রন্থ ??

আপনি ধর্ম পালনের জন্য যে ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করছেন সেটাই আপনার ধর্মগ্রন্থ । ধর্ম নিয়ে যে গ্রন্থে আলোচনা করা হয় সেই গ্রন্থ কেই ধর্মগ্রন্থ বলে। ধর্মগ্রন্থের কাজ আপনাকে ধর্মের পথে চালানো। আপনি কিভাবে ধর্ম পালন করবেন তার নিয়ম গুলোই ঐ ধর্মগ্রন্থে দেওয়া থাকে।

❤️ পৃথিবীতে যতো মানব আছে তারা সবাই নিজ নিজ একটি করে ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করেন । তারা মনে করেন শুধু তার ধর্মগ্রন্থই ঈশ্বর প্রদত্ত, বাকি অন্য গুলো ভুয়া। যে যেমন ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করেন তারা সেই ধর্মের মানুষ বলে মনে করেন। বাস্তবে আপনিরা একটি ধর্মগ্রন্থের অনুসরণকারী মাত্র, আপনারা সবাই মানব জাতি। প্রত্যেক ধর্মগ্রন্থের পেছনেই আছে সকল মানব জাতি। 

❤️ যে ব্যক্তি সনাতন ধর্মগ্রন্থ, বেদ, গীতা অনুসরণ করে তারা নিজেদের সনাতনী বা হিন্দু বলে দাবি করে।

❤️ যে ব্যক্তি ইসলাম ধর্মগ্রন্থ, কোরআন, হাদিস অনুসরণ করে তারা নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করে।

❤️ যে ব্যক্তি খ্রীষ্টান ধর্মগ্রন্থ, বাইবেল অনুসরণ করে তারা নিজেদের খ্রীষ্টান বলে দাবি করে।

❤️ যে ব্যক্তি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ, ত্রিপিটক অনুসরণ করে তারা নিজেদের বৌদ্ধ বলে দাবি করে।

এরকম অনেক ধর্মগ্রন্থ আছে। পৃথিবীতে প্রায় কয়েক হাজার ধর্মগ্রন্থ পাওয়া যায়। তাই যে ব্যক্তি যে ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করছেন তিনি সেই ধর্মগ্রন্থের অনুসরণকারী মাত্র। কারন আপনি এখনও ধর্মকে চিনতে বা জানতে পারেন নাই। 

ধর্ম কি? ধর্ম কাকে বলে?

 ধর্ম কি? ধর্ম কাকে বলে?

❤️ ধর্ম হচ্ছে নিয়মনীতি । প্রানীর বৈশিষ্ট্যই প্রানীর ধর্ম ।

❤️ প্রত্যেক প্রানী বা বস্তুর ক্রিয়া বা কর্মকেই ধর্ম বলে ।

সাধারণ ভাবে মানুষের ধর্ম তার কর্ম পালনের মাধ্যমে হয়। যেমন - আপনি ঘুম থেকে উঠে প্রথমে চোখ মুখ ধুয়া, টয়লেট সারা, বা গোসল করা, তারপর নাস্তা। এখানে আপনার কর্ম কোনগুলো - চোখ মুখ ধোয়া, টয়লেট সারা, গোসল করা, নাস্তা করা। বলা হয় - যেমন কর্ম তেমনি ফল । তাই আপনি যদি আপনার মুখ চোখ ভালো ভাবেই পরিস্কার করেন তাহলে ভালো, কিন্তু যদি ভালো ভাবে পরিস্কার না করেন তার ফল আপনিই ভোগ করবেন । ঠিক একই ভাবে গোসল করা ও নাস্তা করা আপনার কর্ম।

আপনি ঘুম থেকে উঠে যে ক্রিয়া বা কর্ম করলেন সেটাই আপনার ধর্ম, অর্থ্যাৎ আপনি যে নিয়ম পালন করলেন সেগুলোই আপনার ধর্ম। 

Saturday, April 13, 2024

প্রমান কত প্রকার ও কি কি

 প্রমান কত প্রকার ও কি কি

আমরা মানব জাতি প্রমানের স্তর নির্নয় করতে পারিনা কিন্তু কোনকিছু জানার পর তা আমরা বুঝতে পারি, কারন আমাদের জ্ঞান বুদ্ধি আছে, আমরা নির্বোধ নয়।

মানুষের শরীর দিয়ে অনেক কিছু প্রমান করা সম্ভব। শুধু গনিতের সূত্রে গনিত প্রমান হয় কিন্তু গনিত দিয়ে শব্দের প্রমান হয়না।

❤️ মানুষের চোখ দিয়ে চাক্ষুষ প্রমান হয় কিন্তু গন্ধের প্রমান হয়না।

❤️ নাক দিয়ে গন্ধের প্রমান হয় কিন্তু শব্দের প্রমান হয়না।

❤️ কান দিয়ে শব্দের প্রমান হয় কিন্তু অনুভূতির প্রমান হয়না।

❤️ অনুভূতি দিয়ে শীত গ্রীষ্ম বা ঠান্ডা গরমের প্রমান হয় কিন্তু কান দিয়ে হয়না।

❤️ জিহ্বা দিয়ে স্বাদের প্রমান করা হয় কিন্তু চোখ দিয়ে নয়।

❤️ আপনার শরীর দিয়ে নিজের ব্যথা অনুভব করতে পারবেন কিন্তু কখনোই তা অন্যকে প্রমান দিতে পারবেন না। আদৌ পারবেন কি?

❤️ আপনার উপলব্ধি ক্ষমতা দিয়ে অনেক কিছু প্রমান সংগ্রহ করতে পারবেন এমনকি ঈশ্বরকেও।।


Friday, April 12, 2024

মানুষের জ্ঞানের স্তর

 মানুষের জ্ঞানের স্তর

মানুষের জ্ঞানের স্তর তিনটি ১. শিক্ষা ২. জ্ঞান ৩. উপলব্ধি। অর্থ্যাৎ আমরা শিক্ষা থেকেও জ্ঞান অর্জন করতে পারি, বিবেক জ্ঞান দিয়েও জ্ঞান অর্জন করতে পারি, আবার কোনকিছু উপলব্ধি করেও জ্ঞান অর্জন করতে পারি। 

শিক্ষা থেকে আমরা ৪টি স্তর পেয়ে থাকি ১. অশিক্ষিত ২. শিক্ষিত ৩. উচ্চ শিক্ষিত ৪. সুশিক্ষিত।

অশিক্ষিত - যে ব্যক্তি লিখতে ও পড়তে পারেনা তাকেই অশিক্ষিত বলা হয়।

শিক্ষিত - যে ব্যক্তি লিখতে ও পড়তে পারবে তাকেই শিক্ষিত বলা হয় ।

উচ্চ শিক্ষিত - যে ব্যক্তি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত তাকেই উচ্চ শিক্ষিত বলে।

সুশিক্ষিত - যে ব্যক্তি সুশিক্ষায় শিক্ষিত তাকেই সুশিক্ষিত বলা হয়। এজন্য উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন হয় না।

 জ্ঞান থেকেও আমরা ৪টি স্তর পেয়ে থাকি। ১. নির্বোধ ২. জ্ঞানী ৩. উত্তম জ্ঞানী ৪. উৎকৃষ্ট মানের জ্ঞানী।

নির্বোধ - যে ব্যক্তি উন্মদ পাগল তার ভাল ও মন্দ জ্ঞান থাকে না, সেই নির্বোধ ।

জ্ঞানী - যে ব্যক্তির ভাল আর মন্দ জ্ঞান থাকে সেই জ্ঞানী।

উত্তম জ্ঞানী - বই পড়েও মানুষ জ্ঞান অর্জন করতে পারে আবার প্রকৃতি থেকেও জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। যারা বই লেখে তারাই উত্তম জ্ঞানী আর যারা বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে তারা সাধারণ স্তরের মানুষ।

উৎকৃষ্ট জ্ঞানী - প্রকৃতিই জ্ঞানের ভান্ডার, যারা প্রকৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং ঐ জ্ঞান বিশ্লেষন করতে পারে এবং ঈশ্বরকেও উপলব্ধি করতে পারে তারাই একমাত্র উৎকৃষ্ট মানের জ্ঞানী ব্যক্তি।

এবারে আসুন উপলব্ধি স্তরে 

প্রত্যেক মানুষের ঐ উপলব্ধি ক্ষমতা আছে। অনুভূতি আর উপলব্ধি একনা তবে অনুভূতি থেকেই উপলব্ধির উৎপত্তি। ক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট আপনি তখনই উপলব্ধি করতে পারবেন যখন আপনি একদিন অনাহারে থাকবেন। কুকুরকে লাথি মারার কষ্ট আপনি তখনই উপলব্ধি করতে পারবেন যখন কেউ আপনাকেও লাথি মারবে। আপনি বই পড়েও কিছু উপলব্ধি অর্জন করতে পারবেন। আপনার বিবেক জ্ঞান দিয়েও কিছু কিছু উপলব্ধি করতে পারবেন।

পুথিগত বিদ্যা পরোহস্তের ধন নহে জ্ঞান নহে ধন হলে প্রয়ােজন। আপনার প্রয়োজনে আপনি বই থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন কিন্তু মনে রাখতে হবে ওটা অন্যের জ্ঞান। অনেক অনেক জ্ঞান অর্জন করুন আর জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন যেন কষ্ট স্পর্শ করতে নাপারে।। 

Wednesday, April 10, 2024

ঈশ্বর/আল্লাহ কে?

 ঈশ্বর/আল্লাহ কে?

❤️ ধর্মগ্রন্থে আগেই বলা হয়েছে ঈশ্বর নিরাকার, এক, অদ্বিতীয়। তার সমতুল্য কেউই নেই। ঈশ্বর কোন প্রানী বা বস্তু বিশেষ নয়। যিনি প্রকৃতির নিয়ন্তা তাকেই ঈশ্বর বলা হয়। আল্লাহ শব্দটি আরবী ভাষা যার বাংলা অর্থ ঈশ্বর। ঈশ্বর প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে আর প্রকৃতি পুরো প্রানী জাতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রকৃতি তার নিয়মেই চলে অর্থ্যাৎ ঈশ্বর নিয়মেই চলে তাই কারো সাধ্য নেই তার নিয়ম অমান্য বা পরিবর্তন করে। তাই আমরা সবাই প্রকৃতির নিয়মে চলতে বাধ্য। আপনি যে ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করছেন তা ঈশ্বর প্রদত্ত নয় কারন আপনি ইচ্ছে করলেই ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ নাও করতে পারেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে তারা পরমাত্মাকেই ঈশ্বর বলে, আর আত্মারামেশ্বরকে দেবতা বা ভগবান বলে। ভগবান মানুষের কল্যান করে আর ঈশ্বর প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। তার নিয়মে সে অটুট। 

ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান - নামের অর্থ

ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান - নামের অর্থ 

 ঈশ্বর, আল্লাহ, ভগবান - নাম গুলো কোন ব্যক্তি বিশেষের নয়। চেনা বা জানার সুবিধার্থে মানব জাতিই এই নাম গুলো দিয়েছিল সৃষ্টিকর্তাকে বোঝানোর জন্য।

❤️ ধর্মগ্রন্থে আগেই বলা হয়েছে ঈশ্বর নিরাকার, এক, অদ্বিতীয়। তার সমতুল্য কেউই নেই। ঈশ্বর কোন প্রানী বা বস্তু বিশেষ নয়। যিনি প্রকৃতির নিয়ন্তা তাকেই ঈশ্বর বলা হয়। আল্লাহ শব্দটি আরবী ভাষা যার বাংলা অর্থ ঈশ্বর। ঈশ্বর প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে আর প্রকৃতি পুরো প্রানী জাতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রকৃতি তার নিয়মেই চলে অর্থ্যাৎ ঈশ্বর নিয়মেই চলে তাই কারো সাধ্য নেই তার নিয়ম অমান্য বা পরিবর্তন করে। তাই আমরা সবাই প্রকৃতির নিয়মে চলতে বাধ্য। আপনি যে ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করছেন তা ঈশ্বর প্রদত্ত নয় কারন আপনি ইচ্ছে করলেই ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ নাও করতে পারেন। সনাতন ধর্ম অনুসারে তারা পরমাত্মাকেই ঈশ্বর বলে, আর আত্মারামেশ্বরকে দেবতা বা ভগবান বলে। ভগবান মানুষের কল্যান করে আর ঈশ্বর প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। তার নিয়মে সে অটুট। 

ধন সম্পদের মালিক কে?

 ধন সম্পদের মালিক আমরা কেউই না, আমরা কেবল দেখা শোনার দ্বায়িত্ব পালন করি। জন্ম সূত্রে আমরা কেউই কিছু নিয়ে আসিনা এবং মৃত্যু পর্যন্ত আমরা কিছ...