মানুষের জ্ঞানের স্তর
মানুষের জ্ঞানের স্তর তিনটি ১. শিক্ষা ২. জ্ঞান ৩. উপলব্ধি। অর্থ্যাৎ আমরা শিক্ষা থেকেও জ্ঞান অর্জন করতে পারি, বিবেক জ্ঞান দিয়েও জ্ঞান অর্জন করতে পারি, আবার কোনকিছু উপলব্ধি করেও জ্ঞান অর্জন করতে পারি।
শিক্ষা থেকে আমরা ৪টি স্তর পেয়ে থাকি ১. অশিক্ষিত ২. শিক্ষিত ৩. উচ্চ শিক্ষিত ৪. সুশিক্ষিত।
অশিক্ষিত - যে ব্যক্তি লিখতে ও পড়তে পারেনা তাকেই অশিক্ষিত বলা হয়।
শিক্ষিত - যে ব্যক্তি লিখতে ও পড়তে পারবে তাকেই শিক্ষিত বলা হয় ।
উচ্চ শিক্ষিত - যে ব্যক্তি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত তাকেই উচ্চ শিক্ষিত বলে।
সুশিক্ষিত - যে ব্যক্তি সুশিক্ষায় শিক্ষিত তাকেই সুশিক্ষিত বলা হয়। এজন্য উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন হয় না।
জ্ঞান থেকেও আমরা ৪টি স্তর পেয়ে থাকি। ১. নির্বোধ ২. জ্ঞানী ৩. উত্তম জ্ঞানী ৪. উৎকৃষ্ট মানের জ্ঞানী।
নির্বোধ - যে ব্যক্তি উন্মদ পাগল তার ভাল ও মন্দ জ্ঞান থাকে না, সেই নির্বোধ ।
জ্ঞানী - যে ব্যক্তির ভাল আর মন্দ জ্ঞান থাকে সেই জ্ঞানী।
উত্তম জ্ঞানী - বই পড়েও মানুষ জ্ঞান অর্জন করতে পারে আবার প্রকৃতি থেকেও জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। যারা বই লেখে তারাই উত্তম জ্ঞানী আর যারা বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে তারা সাধারণ স্তরের মানুষ।
উৎকৃষ্ট জ্ঞানী - প্রকৃতিই জ্ঞানের ভান্ডার, যারা প্রকৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং ঐ জ্ঞান বিশ্লেষন করতে পারে এবং ঈশ্বরকেও উপলব্ধি করতে পারে তারাই একমাত্র উৎকৃষ্ট মানের জ্ঞানী ব্যক্তি।
এবারে আসুন উপলব্ধি স্তরে
প্রত্যেক মানুষের ঐ উপলব্ধি ক্ষমতা আছে। অনুভূতি আর উপলব্ধি একনা তবে অনুভূতি থেকেই উপলব্ধির উৎপত্তি। ক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট আপনি তখনই উপলব্ধি করতে পারবেন যখন আপনি একদিন অনাহারে থাকবেন। কুকুরকে লাথি মারার কষ্ট আপনি তখনই উপলব্ধি করতে পারবেন যখন কেউ আপনাকেও লাথি মারবে। আপনি বই পড়েও কিছু উপলব্ধি অর্জন করতে পারবেন। আপনার বিবেক জ্ঞান দিয়েও কিছু কিছু উপলব্ধি করতে পারবেন।
পুথিগত বিদ্যা পরোহস্তের ধন নহে জ্ঞান নহে ধন হলে প্রয়ােজন। আপনার প্রয়োজনে আপনি বই থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন কিন্তু মনে রাখতে হবে ওটা অন্যের জ্ঞান। অনেক অনেক জ্ঞান অর্জন করুন আর জীবনকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন যেন কষ্ট স্পর্শ করতে নাপারে।।
No comments:
Post a Comment